Sale!

জৈব বালাইনাশক ট্রাইকোডার্মা ৫০ মিলি গাছের জৈব ছত্রাকনাশক

৳ 70.00

  • এটি ট্রাইকো-সাসপেনশন, পাউডার এবং পেস্ট আকারে উৎপাদন সম্ভব।
  • নিয়মানুযায়ী স্প্রে করলেই এর কার্যকারিতা পাওয়া যায়।
  • পঁচা আবর্জনায় ‘ট্রাইকো-সাসপেনশন’- এর জলীয় দ্রবণ মিশিয়ে দ্রুত সময়ে ট্রাইকো-কম্পোস্ট উৎপাদন করা সম্ভব।
  • এটি সহজলভ্য হওয়ায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না।
  • এর ব্যবহারে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব।
  • বীজশোধনে ও মাটিবাহিত উদ্ভিদের রোগ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
  • এছাড়াও উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে ট্রাইকোডার্মা।
  • এর ব্যবহারে কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় সাশ্রয় হয়।
  • জমিতে কোন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না।
  • মাটির উর্বরা শক্তি বাড়ায়।
  • রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমায় ৪০%-৬০%।
ট্রাইকোডার্মা কি?
ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারি উপকারি ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি মাটিতে বসবাসকারি উদ্ভিদের ক্ষতিকর জীবাণু যেমন- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও নেমাটোডকে মেরে ফেলে। ট্রাইকোডার্মা প্রকৃতি থেকে আহরিত এমনই একটি অণুজীব যা জৈবিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রোগ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ট্রাইকোডার্মা বায়োপেস্টিসাইডটি প্রথম আবিষ্কার করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.বাহাদুর মিয়া যা ২০১৩ সালের জুন মাসে বগুড়া আরডিএ ল্যাবরেটরীতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হয়।
ট্রাইকোডার্মা ভিরিডি (টি.ভি) নামক ছত্রাক একটি কার্যকরী জৈব রোগনাশক হিসাবে কাজ করে। এটি সাধারণত বাহকের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এটি আলুর ধ্বসা ও কন্দ পচা, বিভিন্ন সব্জির গোড়া পচা; বেগুন, টমেটো, লঙ্কা ও আখের ছত্রাকজনিত ঝিমিয়ে পড়া বা গোড়া পচা; আলু, পান ও গোলমরিচের শেকড় বা কান্ডের পচন রোগকে দমন করতে পারে। যেখানে বারবার রাসায়নিক ছত্রাকনাশক ব্যবহার করার ফলে এর প্রতিরোধী ছত্রাকের জাত সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে এটি খুবই কার্যকরী। ট্রাইকোডার্মা ভিরিডি (টি.ভি) বীজের অঙ্কুরোদগমে, গাছের বৃদ্ধি ও দ্রুত ফুল আসতে সহায়তা করে। এছাড়া গাছ, ফুল ও ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে। এটি পরিবেশের কোনরকম ক্ষতি করে না।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.